- Hotline: +880195-232231
- My Account
- Quality Guarantee Of Products
লইট্টা শুঁটকি বেশ পরিচিত এবং চাহিদা সম্পন্ন একটি শুঁটকি। লইট্টা মাছ মূলত সামুদ্রিক মাছ। লম্বা আকৃতির এই মাছের শুঁটকির রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।
শুঁটকির কথা আসলেই আমাদের মাথায় সবার প্রথমে আসে DDT এর নাম। DDT এর পূর্ণরূপ Dichloro Diphenyl Trichloroethane। এই উপাদানটি স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এই ঝুঁকিকর উপাদানটির জন্য অধিক পুষ্টিকর শুঁটকি অনেকেই খেতে চান না। তবে অর্গানিক শুঁটকিতে থাকে না এমন কোন ক্ষতিকর উপাদান। বরং এটি অধিক পুষ্টিমান সমৃদ্ধ একটি খাদ্য উপাদান যা দেহে প্রোটিনের যোগান নিশ্চিত করে। এমনই অর্গানিক লইট্টা শুঁটকি সরবরাহ করছে খাস ফুড।
১। স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াজাতকৃত। ফলে কোন ধরনের রাসসায়নিক এবং কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
২। এতে আছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, প্রায় ৬০ – ৬৫ শতাংশ।
৩। এতে ফ্যাট বা তেলের পরিমাণ বেশ কম। ফলে অপেক্ষাকৃত অধিক স্বাস্থ্যসম্মত।
৪। শুকিয়ে ফেলা হয় বিধায় এতে খনিজ উপাদানগুলো অপাক্ষাকৃত অধিক পরিমাণে উপস্থিত থাকে।
৫। অধিক মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস বিদ্যমান যা মজবুত হাড় গঠনে আবশ্যক।
লইট্টা শুঁটকি বেশ পরিচিত এবং চাহিদা সম্পন্ন একটি শুঁটকি। লইট্টা মাছ মূলত সামুদ্রিক মাছ। লম্বা আকৃতির এই মাছের শুঁটকির রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।
শুঁটকির কথা আসলেই আমাদের মাথায় সবার প্রথমে আসে DDT এর নাম। DDT এর পূর্ণরূপ Dichloro Diphenyl Trichloroethane। এই উপাদানটি স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এই ঝুঁকিকর উপাদানটির জন্য অধিক পুষ্টিকর শুঁটকি অনেকেই খেতে চান না। তবে অর্গানিক শুঁটকিতে থাকে না এমন কোন ক্ষতিকর উপাদান। বরং এটি অধিক পুষ্টিমান সমৃদ্ধ একটি খাদ্য উপাদান যা দেহে প্রোটিনের যোগান নিশ্চিত করে। এমনই অর্গানিক লইট্টা শুঁটকি সরবরাহ করছে খাস ফুড।
১। স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াজাতকৃত। ফলে কোন ধরনের রাসসায়নিক এবং কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
২। এতে আছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, প্রায় ৬০ – ৬৫ শতাংশ।
৩। এতে ফ্যাট বা তেলের পরিমাণ বেশ কম। ফলে অপেক্ষাকৃত অধিক স্বাস্থ্যসম্মত।
৪। শুকিয়ে ফেলা হয় বিধায় এতে খনিজ উপাদানগুলো অপাক্ষাকৃত অধিক পরিমাণে উপস্থিত থাকে।
৫। অধিক মাত্রায় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস বিদ্যমান যা মজবুত হাড় গঠনে আবশ্যক।
আমাদের দেশে দেশী ষাঁড় গরুর গোশতের (Beef) চাহিদা অনেক। কিন্তু সমস্যা হলো বাজারে বা বিভিন্ন সুপারশপে আমরা যে গরুর গোশত পাই, সেগুলো দেশী কিনা কিংবা ফ্রেশ কীনা সেটা নিয়ে উদ্বেগের শেষ নেই। আর তাই, আপনার পরিবারের চাহিদা অনুযায়ী নিশ্চিতভাবেই দেশী এবং সেরা মানের গরুর গোশতের সরবরাহের দায়ীত্ব নিয়ে নিয়েছে খাসফুড!
আমাদের গরু গোশত বাজারের গোশতের চেয়ে গুণে ও মানে ব্যতিক্রম। লালন-পালন থেকে শুরু করে জবাই করা পর্যন্ত নিজস্ব তত্বাবধানে নিশ্চিত করা হয় যাতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর উপাদান উৎপাদিত গোশতে না থাকে। বাজারের বিষাক্ত ফিড না খাইয়ে বরং প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে বড় করা হয় আমাদের দেশি ষাঁড় গরুগুলোকে। সেই সাথে নেপিয়ার ঘাস, চালের গুঁড়া, ভুট্টা, খৈল, ছোলা ইত্যাদির সমন্বয়েও তৈরি করে খাওয়ানো হয় দৈনন্দিন খাবার। রোগ জীবাণুর আক্রমণ ঠেকানোর জন্য নিশ্চিত করা হয় আলো-বাতাসযুক্ত উন্নত পরিবেশ। এরই ফলশ্রুতিতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন খামারে লালিত আমাদের এই ষাঁড় গরুগুলোর সেরা মানের এবং স্বাদের গোশতের নিশ্চয়তা পাচ্ছেন আমাদের কাছে।
উল্লেখ্য, প্রতি কেজি গোশতের মধ্যে হাড় ও চর্বি থাকবে ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত। সকালে জবাই করে দুপুরের মধ্যেই পৌঁছে দেয়া হয় ফ্রেশ গোশত। সুতরাং কোনো ধরনের ফ্রোজেন গোশত পাওয়ার আশংকা একদমই নেই!
বিঃদ্রঃ গরু এবং খাসীর কলিজা, ভুড়ি, মাথা এবং পায়া আলাদাভাবে বিক্রি করা হয়। আর, আমাদের সাপ্লাই ফিল-আপ হয়ে গেলে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দেয়া হয় সেই সপ্তাহের জন্য। সেক্ষেত্রে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী সপ্তাহের জন্য। সারা সপ্তাহ অর্ডার নিয়ে সপ্তাহে একদিন জবাই করা হয়। যেদিন জবাই হয় ঐদিনেই আমরা এই গোশত সরবরাহ করে থাকি।